মধ্য তুরস্কের সিভাস প্রদেশের কায়ালিপিনারে খননরত প্রত্নতাত্ত্বিকেরা ২০২৬ সালে কীলকাকার লিপির আরও ১৩১টি ফলক ও খণ্ড পেয়েছেন। ২০২৫ সালে পাওয়া ৫৩টি খণ্ডের সঙ্গে মিলে এগুলো প্রায় ৩,৪০০ বছর আগের হিট্টাইট রাজা তুধালিয়া দ্বিতীয়ের আমলের ১৮৪টি নথির মহাফেজখানা তৈরি করেছে। অভিযানের নেতৃত্বে আছেন কোচ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিদেম মানের।
লেখাগুলোতে আছে উচ্চ জ্বরের এক মহামারির কথা, যা শহর থেকে শহরে ছড়িয়ে বহু শিশুর প্রাণ নেয়; এক দুধের শিশু রাজকন্যার অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া এবং তার অন্ত্যেষ্টির কথা। আছে রাজার কাছে সৈন্য, ঘোড়া ও রথ চেয়ে সেনাপতিদের চিঠি, আর পাখির ওড়া দেখে শুভাশুভ পড়া গণকদের একটি দিনলিপি।
দলটি একে একবিংশ শতাব্দীতে পাওয়া হিট্টাইট ভাষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাফেজখানা মনে করে। হিট্টাইট ও হুরিয়ান ভাষায় লেখা নথিগুলো দেখায়, আনাতোলিয়ার সেই সাম্রাজ্যে রাষ্ট্র, সেনাবাহিনী, ধর্ম ও রাজপরিবার কীভাবে চলত।


