বার্লিন কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় (TU বার্লিন) ও স্লো ফুড জার্মানির এক গবেষণা দেখিয়েছে, ঘরে খাদ্য অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। জার্মানির ফেডারেল কৃষি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে প্রকল্পটির নাম DiFo 2.0।
মোট ২২২টি জার্মান পরিবার সচেতনতা প্রচারণার আগে ও পরে ডিজিটাল ডায়েরিতে নষ্ট হওয়া খাবার লিখে রাখে। এড়ানো সম্ভব অপচয়, অর্থাৎ যে খাবার তখনো খাওয়া যেত, মাথাপিছু প্রতিদিন ২৭.১% কমে ৪৫.৫ থেকে ৩৩.২ গ্রামে নেমেছে। মোট অপচয় কমেছে ১৬.১%।
সবচেয়ে বেশি কমেছে পচে যাওয়া বা ছত্রাক ধরা খাবার। গবেষকদের ধারণা, অপচয় লিখে রাখার অভ্যাসই আচরণ বদলাতে সাহায্য করেছে; ৪২০ জনের আরেকটি পরীক্ষায় একবারের বার্তায় কোনো পার্থক্য হয়নি।
লেখকেরা পরামর্শ দেন, প্রচারণা এড়ানো সম্ভব অপচয়ের দিকে মনোযোগ দিক এবং মাপার পদ্ধতি উন্নত হোক। ২০৩০ সালের মধ্যে মাথাপিছু খাদ্য অপচয় ৩০% কমানোর ইউরোপীয় ইউনিয়নের লক্ষ্যের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।


